আমাদের নিউজ পোর্টালে আপনাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। এখানে আপনি পাবেন সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ। আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক তথ্যই সচেতন সমাজ গড়ে তোলে। পাঠকের বিশ্বাস ও ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। সবসময় আমাদের সঙ্গে থাকুন, আপডেট থাকুন।

মুক্তির ১৭ দিনে এক বিলিয়ন ডলার আয় করল ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’

 

                     বক্স অফিসে ১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। ছবি: সংগৃহীত

জেমস ক্যামেরনের জাদুর কাঠি যেন আবারও কাজ করল। মুক্তির মাত্র ১৭ দিনের মাথায় বিশ্বজুড়ে এক বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ (Avatar: Fire and Ash)। ২০২৬ সালের শুরুতেই হলিউড বক্স অফিসে এটি এক বিশাল ধামাকা সৃষ্টি করল।

রেকর্ড গড়ার নতুন ইতিহাস

চলচ্চিত্র বিষয়ক ট্র্যাকিং সাইটগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার পর্যন্ত সিনেমাটির বৈশ্বিক আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.০৮ বিলিয়ন ডলারে। এর মধ্যে উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে এসেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে ৭৭৭ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

এই অর্জনের মাধ্যমে পরিচালক জেমস ক্যামেরন এক অনন্য বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন। তিনি বিশ্বের প্রথম পরিচালক যার পরিচালিত চারটি ভিন্ন সিনেমা (টাইটানিক, অ্যাভাটার ১, অ্যাভাটার ২ এবং অ্যাভাটার ৩) বক্স অফিসে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করার গৌরব অর্জন করেছে।

কেন আলোচনায় এই সিনেমা?

প্যান্ডোরা গ্রহের নতুন এক রূপ এবং সেখানে বসবাসকারী ‘অ্যাশ পিপল’ বা ছাই মানুষের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে এই ছবি। আগের দুই কিস্তির তুলনায় এটি আরও বেশি অন্ধকার ও রহস্যময় হওয়ায় দর্শকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে চীন, ফ্রান্স, জার্মানি এবং ভারতে সিনেমাটি অভাবনীয় ব্যবসা করছে।

বক্স অফিসে প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলা

টানা তিন সপ্তাহ ধরে উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে এক নাম্বার অবস্থান দখল করে আছে ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। ডাউট ইটিং বা বড় কোনো প্রতিযোগিতামূলক সিনেমা না থাকায় ২০২৬ সালের শুরুটা পুরোপুরি নিজের করে নিয়েছে অ্যাভাটার। ডিজনি এবং টুয়েন্টিথ সেঞ্চুরি স্টুডিওস জানিয়েছে, আইম্যাক্স (IMAX) এবং থ্রিডি স্ক্রিনগুলো থেকে আয়ের বড় একটি অংশ আসছে।

সূত্র: দ্য হলিউড নিউজ


No comments

Theme images by lobaaaato. Powered by Blogger.